সংবাদ শিরোনাম :
জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার। নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের শুনই গ্রামে পানিতে ডুবে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। কলমাকান্দা পোগলা ইউনিয়ন এর মান্দারোয়া বিল, ঘুমাই নদী ও দুগদই খাল উন্মুক্ত করায় খুশি এলাকাবাসী। নারী শিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানী ও যৌন হয়রানী’র অভিযোগ আওয়ামী ওলামালীগ নেতার বিরুদ্ধে। কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকট। নেত্রকোনায় ৮৫ লাখ টাকার টয়লেট উদ্বোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ছে। নেত্রকোনার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভবনের নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে কলমাকান্দা বাজারে ৩২টি সিসি ক্যামেরার উদ্বোধন ‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।
খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রাম থেকে মান্দার বিল পর্যন্ত সংযোগকারী দুটি সরকারি নালা দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় ভরাট হয়ে পড়েছে। এতে পানি নিষ্কাশন না থাকায় বাধাগ্রস্ত হয়ে এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলি ধানি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধীতপুর গ্রামের সামনে অবস্থিত ধলা বিল থেকে মান্দার বিল পর্যন্ত বিস্তৃত নালাগুলো একসময় এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নালাগুলো বর্তমানে ভরাট হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এর ফলে মৌসুমের শুরুতেই সামান্য বৃষ্টিপাতে পানি জমে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি তলিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ধলা বিলে প্রতিবছর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ একর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের হিসাবে, বছরে গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার মণ বোরো ধান নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা সাংবাদিকদের জানান, গত প্রায় ২৭ বছর ধরে তারা এই সমস্যার মুখোমুখি। জলাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত ফসলহানি তাদের জীবিকায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করলেও ফসল ঘরে তোলার আগেই তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ছেন।
সাধারণ কৃষক জানান, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছরই একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কৃষকদের দাবি,দ্রুত খালগুলো পুনঃখনন করা না হলে ভবিষ্যতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
স্থানীয়দের মতে, খালগুলো পুনঃখনন করা হলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা